হাওড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ৩ মাস সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

সম্প্রতি হাওড় এলাকায় জমিতে পানি ঢুকে যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সরকার তাদের তিন মাস সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

রোববার (৩ মে) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা, সরবরাহ এবং পরিবহন নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হাওড় এলাকায় কিছু ফসল নষ্ট হলেও তা খুব বড় পরিমাণ নয়। তারপরও যে সব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার।
 
হাওড় এলাকায় ফসল রক্ষায় বেরিবাঁধ নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন ক্ষতি কমাতে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার কাজ করছে।
 
কোরবানির ঈদ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, চলতি বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে কোরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি।
 
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় চলতি বছর দেশে ২২ লাখ ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ফলে কোরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
 
সীমান্ত দিয়ে কোরবানির পশু যাতে অবৈধভাবে দেশে ঢুকতে না পারে সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে বলেও জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না।
 
মন্ত্রী আরও জানান, হাট এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে। সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কোরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। এরই মধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।



[টিবিএন৭১/আরএন]