হামের প্রাদুর্ভাবে ঝুঁকি বাড়ছে শিশুদের মানসিক বিকাশে। দেখা দিচ্ছে খিটখিটে মেজাজ, আর অতিরিক্ত কান্নাকাটির প্রবণতা। প্রভাব পড়ছে অভিভাবকদের মানসিক স্বাস্থ্যেও।
প্রায় নির্মূল হওয়া হামের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত দেশ। দুই মাসের কম সময়ে কেড়ে নিয়েছে প্রায় ৩০০ শিশুর প্রাণ, আক্রান্ত প্রায় ৪০ হাজার।
দীর্ঘদিন জ্বরসহ শিশুর শারীরিক জটিলতার প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যেও। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, বাধা পড়ছে সামাজিক বিকাশেও।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের অভিভাবকরা জানান, আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে পরিবর্তন হতে থাকে স্বাভাবিক আচরণ। দেখা দেয় খিটখিটে মেজাজ, কান্নাকাটির প্রবণতা।
ডিএনসিসি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. আসিফ হায়দার বলছেন, আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক আচরণে আসছে পরিবর্তন। এতে মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবার।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. গোলাম মোস্তফা মিলন বলেন, শুধু শিশু নয়, অভিভাবকদের অতিরিক্ত আতঙ্কও প্রভাব ফেলছে শিশুর ওপর। তাই আতঙ্কিত না হয়ে শিশুদের বেশি করে সময় দিতে হবে।
সময় মতো শিশুদের টিকাদান, সচেতনতা এবং মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
[টিবিএন৭১/আরএন]