আন্তর্জাতিক অংশীজনদের কাছে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য ২ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ের দফতর থেকে এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাসের এক অনলাইন সম্মেলনে অংশ নিয়ে এই তথ্য জানান তিনি।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে এক প্রেস ব্রিফংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অংশীজনের কাছে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের জন্য ২ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজনে কথা জানিয়েছেন।
এজেক সম্মেলনে অংশ নেয়া দেশগুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করর বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পরিচালনায় ভার্চুয়ালি এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তারেক রহমান এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা বক্তব্য দেন।
সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে- ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র (আরওকে), অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া।
এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে প্রতিনিধিরা এই অধিবেশনে অংশ নেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু হলেই তেল নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মার্চের শুরুতে পেট্রল ও অকটেনের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এরপর মজুত ধরে রাখতে সরকার রেশনিং শুরু করে। কয়েক দিন পর রেশনিং তুলে নিলেও বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে গত বছরের বিক্রির সঙ্গে মিল রেখে।
[টিবিএন৭১/আরএস]